প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্পেন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছে। এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছেন লামিন ইয়ামাল ও পাউ কুবারসি।
থমসোন ঘটনাতে, ইয়ামাল ১৯ বছর ৬ দিন বয়সে বিশ্বকাপ জিতে কনিষ্ঠ বিশ্বকাপজয়ীদের তালিকায় যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছেন। অপরদিকে, পাউ কুবারসি ১৯ বছর ১৭৮ দিন বয়সে শিরোপা জিতে ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান করছেন।
ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর ২৪৯ দিন। দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছেন আরেক ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও, যিনি ১৯৯৪ সালে বিশ্বকাপ জয়ের সময় ছিলেন ১৭ বছর ২৯৮ দিন বয়সী।
বিশ্বকাপজয়ী কনিষ্ঠ ১০ ফুটবলার এক নজরে:
পেলে: ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলের প্রথম বিশ্বকাপ ছিল ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপ। এই আসরে ৪ ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি ৬ গোল করেন। তার অনবদ্য পারফরম্যান্সের জন্য ব্রাজিল প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে। শিরোপা জয়ের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর ২৪৯ দিন।
রোনালদো নাজারিও: ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলের স্কোয়াডে ছিলেন কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো নাজারিও। যদিও তিনি সেবারের আসরে মাঠে নামেননি, তারপরও স্কোয়াডে থাকার কারণে তিনিও ব্রাজিলের চতুর্থ শিরোপাজয়ী খেলোয়াড় হিসেবে এখানকার তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তার বয়স ছিল ১৭ বছর ২৯৮ দিন।
জিউসেপ বার্গোমি: ১৯৮২ সালের স্পেন বিশ্বকাপে ইতালি শিরোপা জেতার সময় দলের অংশ ছিলেন জিউসেপ বার্গোমি। বিশ্বকাপ জয়ের মুহূর্তে তার বয়স ১৮ বছর ১৭৪ দিন ছিল।
কৌতিনহো: ১৯৬২ সালের চিলি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত হন কৌতিনহো। সেবার সেলেসাওরা টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জেতায়, তিনি মাঠে নামেননি কিন্তু স্কোয়াডে থেকে বিশ্বের সামনে যে ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত হন তার বয়স ছিল ১৯ বছর ৬ দিন।
লামিন ইয়ামাল: লামিন ইয়ামাল, ২০২৬ বিশ্বকাপে অন্যতম আলোচিত খেলোয়াড় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছেন। স্পেনের দ্বিতীয় শিরোপাজয়ের আসরে ৮ ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি ১ গোল করেছেন। এই সাফল্যের মাধ্যমে তিনি ব্রাজিলের কৌতিনহোর সঙ্গে যৌথভাবে চতুর্থ কনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসবে নাম লেখান। বিশ্বকাপ জয়ের সময় তার বয়স ছিল ১৯ বছর ৬ দিন।
মার্কো আন্তোনিও: ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে ব্রাজিলের একাদশে ছিলেন মার্কো আন্তোনিও। সেবারের আসরে ইতালিকে পরাস্ত করে তৃতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় ব্রাজিল। আসরে ২ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন আন্তোনিও। বিশ্বকাপ জয়ের সময় তার বয়স ছিল ১৯ বছর ১৬৫ দিন।
পাউ কুবরাসি: ২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনের শিরোপা জয়ে সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পেয়েছেন পাউ কুবরাসি। তার বয়স ছিল ১৯ বছর ১৭৮ দিন।
কিলিয়ান এমবাপ্পে: ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্স দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতে। সেবারের আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কাড়েন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তিনি ৭ ম্যাচে ৪ গোল করে সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি অর্জন করেন। বিশ্বকাপ জয়ের সময়ে তার বয়স ছিল ১৯ বছর ২০৭ দিন।
মাজোলা: ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড মাজোলা ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচ খেলে ২ গোল করেন। বিশ্বকাপ জয়ের সময় তার বয়স ছিল ১৯ বছর ৩০৯ দিন।
রুবেন মোরান: উরুগুয়ের উইঙ্গার রুবেন মোরান ১৯ বছর ৩৪৪ দিন বয়সে ১৯৫০ বিশ্বকাপ জিতেছেন। তিনি সে বিশ্বকাপে ১টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
ফেলিস বোরেল: ১৯৩৪ বিশ্বকাপে শিরোপা জেতে স্বাগতিক ইতালি। সে আসরে অংশ নেওয়া ফেলিস বোরেল আবারও বিশ্বকাপজয়ী কনিষ্ঠ খেলোয়াড়ের তালিকায় দশম স্থানে রয়েছেন। সেসময় তার বয়স ছিল ২০ বছর ৬৬ দিন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন