প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষের একটি ঘটনায় শিপন মিয়া (১৮) নামের আহত এক কিশোরের মৃত্যু হয়ে যায়। তিনি সোমবার (১ জুন) মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
শিপন মিয়া স্থানীয় মরিচার গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। রবিবার (৩১ মে) সংঘর্ষ, বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনায় প্রায় ২০০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ঈদের দিন বিকালে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর নামক স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়ে বেড়াতে আসা হাজার মানুষের ভিড়ে ফুচকা সহ অন্যান্য খাদ্য বিক্রি হচ্ছিল।
ওই সময় স্থানীয় মরিচারচর এলাকার কয়েকজন কিশোর ফুচকার দোকানে গিয়ে ফুচকার অর্ডার দেয়। একই সময় পাশের চরআলগী গ্রামের কয়েকজন কিশোরও ফুচকার অর্ডার দেয়। কিন্তু চরআলগী গ্রামের কিশোরদের আগে ফুচকা দিয়ে দেওয়ায় মরিচার গ্রামের কিশোররা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এর ফলস্বরূপ দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ সময় ঘটনাটি মীমাংসা করতে মরিচার চর গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মো. ইব্রাহিম মিয়া এগিয়ে আসেন। তিনি ঘটনা ফয়সালা করে চলে যান। কিন্তু পরে রাতে ইব্রাহিমকে উচাখিলা বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেকে নিয়ে হামলা চালানো হয়। ঘটনার সময়ে তিনি গুরুতর আহত হন।
ইব্রাহিমের লোকজন এসব ঘটনা জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে রবিবার দুপুরে চরআলগী গ্রামে গিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় প্রায় অর্ধশতাধিক খড়ের গাদার মধ্যে আগুন ও বাড়িঘরে লুটপাট করা হয়।
এ ঘটনার ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে মরিচার গ্রামের রমজান আলীর ছেলে শিপন মিয়াকে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে তিনি মারা যান।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি রবিউল আযম জানান, বাড়ি-ঘরে হামলার ঘটনায় মামলার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে, নিহতের ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন