প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী ম্যাথিউ ওয়ালে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের গভীর নজরদারির মধ্যে অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হয়ে সরকার উৎখাতের চেষ্টা ঠেকাতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি সোমবার সংসদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন।
রোববার মার্কিন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ সলোমন দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছান। সেখানে তিনি পিস কো’র কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় বাহিনী এই অঞ্চলে যুদ্ধ করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি সিডনি থেকে এই খবরটি জানায়।
ওয়ালে বর্তমানে ২০২২ সালে চীনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিটি পর্যালোচনা করছেন। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে তার দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করছেন। এর ফলে গত সপ্তাহে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশগুলোর নেতাদের সম্মেলন থেকে হঠাৎ ফিরে এসে তাকে অনাস্থা প্রস্তাবের মোকাবিলা করতে হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফোরামের কূটনীতিকরা এএফপিকে জানান, চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর পথে যাত্রা শুরুর তিন মাস পর ওয়ালের সরকারের টিকে থাকার ফলে এই অঞ্চলের নিরাপত্তায় প্রভাব পড়বে।
তাইওয়ানের উপস্থিতিতে চীন অসন্তোষ প্রকাশ করার পর প্রশান্ত মহাসাগরীয় কয়েকজন নেতা সম্মেলনটি এড়িয়ে যান।
মে মাসে নির্বাচিত ওয়ালের সরকার অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে নতুন একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে। এছাড়া মার্কিন কোস্টগার্ডের টহলের সুযোগ দিতে একটি চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এর পাশাপাশি, চীনের আগ্রহের বিষয়বস্তু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের আওতায় একটি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পেও আলোচনা চলছে।
রোববার ওয়ালের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাহার করেন এর উদ্যোক্তা মানাসেহ মেলাঙ্গা। ওয়ালেসহ জোট সরকারের পক্ষে আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতা অবস্থান নেওয়ায় মেলাঙ্গাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।
আরেকটি অনাস্থা প্রস্তাবের সুযোগ বন্ধ করার জন্য সোমবার সংসদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি করা হয়।
সংসদে ওয়ালে বলেন, ‘বাজেট পাস করতে আমরা বড়দিনের আগে ফিরে আসতে চাই।’
তিনি আরও জানান, ‘পরিবর্তনের গতি দ্রুত।’
এই বিরতি খনন খাতের সংস্কার ও বিনামূল্যে শিক্ষা চালুর মতো গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন নিয়ে ভাবার সুযোগ দেবে।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক হাইকমিশনার জেমস ব্যাটলি মন্তব্য করেন, ‘আমার ধারণা, অস্ট্রেলীয় সরকার এতে স্বস্তি পাবে।’
তিনি এএফপিকে বলেন, ‘ওয়ালে নির্বাচিত হওয়ার এত অল্প সময়ের মধ্যে অনাস্থা প্রস্তাব আনার বিষয়টি সাধারণ মানুষ খুবই বিরূপভাবে নেয়।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন