প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের ব্যাটিং দুর্বলতার কারণে সিরিজের প্রথম টেস্টটি জিতে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সফরকারীরা শেষ পর্যন্ত মাত্র ১২০ রানে অল আউট হয়ে যায়। ফলে ৯০ রানের জয় তুলে নিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে।
চতুর্থ দিনের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের দ্বিতীয় ইনিংসটি ১৮১ রানে শেষ করে। পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আব্বাস ২২ রান খরচে ৫ উইকেট দখল করে অসাধারণ বোলিং করে। তবে এই সাফল্য ব্যাটসম্যানদের খারাপ প্রদর্শনের কারণে অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়।
লক্ষ্য তাড়া করতে যাওয়ার পর থেকেই পাকিস্তানের ছন্দ ছিল না। তারা মাত্র ৭১ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে বড় লজ্জার সম্মুখীন হয়। শেষ উইকেটে আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে বাবর আজম ৪৯ রানের জুটি গড়েন। বাবর সিরিজে ৫৮ রান নিয়ে অপরাজিত থাকলেও, অন্য কোনো স্বীকৃত ব্যাটসম্যান উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান আসে ১১ নম্বরে নামা আব্বাসের ব্যাট থেকে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস আক্রমণ ছিল অসামান্য। জেডন সিলস ২০ রানে ৫ উইকেট নেন, এছাড়া জাস্টিন গ্রিভস ও কেমার রোচ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। পুরো ম্যাচে স্বাগতিকদের চার পেসার মিলিয়ে পাকিস্তানের ২০ উইকেট তুলে নেন।
এই পরাজয়ের ফলে পাকিস্তান টানা চতুর্থ টেস্টে পরাজিত হলো। সর্বশেষ ১৭ টেস্টের মধ্যে এটি তাদের ১৩তম হার, এবং বিদেশের মাটিতে এটি টানা অষ্টম পরাজয়। অন্যদিকে, সর্বশেষ ১১ টেস্টের মধ্যে এটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাত্র দ্বিতীয় জয়।
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক রোস্টন চেজ জানান, কয়েক দিন আগে প্রয়াত কিংবদন্তি স্যার গারফিল্ড সোবার্সের জন্মদিনে পাওয়া এই জয় তারা তার স্মৃতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। আগামী রোববার (২ আগস্ট) পোর্ট অব স্পেনে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন