প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি পদে নির্বাচন আজ মঙ্গলবার (২ জুন) অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় (নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সকাল ১০টায়) আনুষ্ঠানিক নির্বাচন হবে।
এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। অন্যদিকে, খলিলুর রহমানের বিপক্ষে সাইপ্রাসের বিশেষ দূত আন্দ্রেজ কাকাউরিস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বাংলাদেশ প্রায় ৪০ বছর পর আবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছে। ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।
এর পর গত ৪০ বছরে বাংলাদেশ আর কোনো নির্বাচন করেনি। এবার বাংলাদেশ ৪০ বছর পর আবার এ পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছে।
প্রায় চার বছর আগে বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে প্রার্থিতা ঘোষণা করে ফিলিস্তিন। বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিন ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হওয়ায় ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়াই করা নিয়ে বাংলাদেশ কিছুটা দ্বিধায় ছিল। কারণ, ফিলিস্তিনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে মুসলিম দেশগুলোর ভোট বিভক্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিন সভাপতি পদ থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয়। এখন সাইপ্রাসের সঙ্গে এ পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের দ্বারা প্রতি বছর গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনে সাধারণ পরিষদের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি একটি করে ভোট প্রদান করে। সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সভাপতি নির্বাচিত হন। এবারও ঠিক একইভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ এ ভোটে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। সোমবার (১ জুন) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সাংবাদিকদের এই বিষয়ে বলেছেন, "আমরা আশাবাদী। বাংলাদেশ অত্যন্ত শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী, এ নির্বাচনে আমাদের অবস্থান খুবই ভালো। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যিনি জাতিসংঘে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, সেই কারণে আমরা খুবই আশাবাদী যে বাংলাদেশ জয়ী হবে এবং আমি মনে করি, বাংলাদেশের জন্য অনেক নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে; এটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন