প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, দেশে কোনো ‘মব কালচার’ সহ্য করা হবে না। প্রচলিত আইন অনুসারে দেশ পরিচালিত হবে।
আজ সোমবার বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সরকারের এই অবস্থানের কথা জানান।
তিনি বলেন, দেশে ‘মব কালচার’ বন্ধে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ‘মব কালচার যখনই হোক, এটা অনভিপ্রেত। আশা করি, মব কালচার হবে না, কখনই হওয়া উচিত নয়। আপনি যেটা বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে মব কালচার হয়েছে এমন কোনো স্পষ্ট উদাহরণ আমার কাছে নেই। আমি বলছি, যেটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শেষ দিকে হয়েছিল, সেই ধরনের মব কালচার নেই।’
এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আপনাদের নিশ্চিত করতে পারি এই ধরনের কোনো মব কালচার টলারেট করা হবে না। আইন অনুযায়ী দেশ চলবে।’
এই পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমি এখানে যুক্ত করতে চাই, সেটা হচ্ছে মব কালচারের মাত্রাটা এখন অনেক কমে গেছে। এটা অনেকটা পলিটিক্যাল সাপোর্ট থেকে এই মব কালচার হয়েছে। একটা প্রচ্ছন্ন রাজনৈতিক প্রভাব থাকে। আমি বলি, আইনের শাসন যত বাড়তে থাকবে, ততই এই মব কালচার কমে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী আইনের শাসনের প্রত্যয় ঘোষণা করেছেন। সেখানে কোনো ভিন্ন মতের কারণে বা বিরোধী রাজনৈতিক নেতা আজকে হয়রানির মুখে পড়ছেন না। সুতরাং এই আইনের শাসনের আবহাওয়াটা যতক্ষণ পর্যন্ত বিরাজমান থাকবে, মব কালচার তত কমে যাবে।’
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র ‘শাপলা’য় সরকারের ১৮০ দিনপূর্তি উপলক্ষ্যে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সরকারের ১৮০ দিনের কার্যক্রম এবং সাফল্যের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বক্তব্য রাখেন।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আব্দুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মাহফুজুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এবং মো. সুজাউদ্দৌলা, শাহাদাৎ স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হক, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার ও আশরোফা ইমদাদ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন