প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি ভুয়া ও আপত্তিকর ভিডিওর মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছেন, যা এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও একপর্যায়ে তিনি প্রতিবাদে সরব হন। নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার পাশাপাশি, এ ধরনের হয়রানির বিরুদ্ধে অন্য নারীদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীমনির একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। কিছুদিন আগে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের ইনস্টাগ্রাম পেজ হ্যাক করে সেখানেও ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরীমনি। তাঁর এই অবস্থানের জন্য অনেকেই প্রশংসা করছেন।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, সমর্থন ও প্রশংসা তাঁকে আরও সাহস জোগাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সবাই যখন আমার সাহসকে সম্মান জানায়, তখন আরও সাহস পাই। মনে হয়, আমি সঠিক পথে আছি।’
সোমবার (১৯ অক্টোবর) একটি শোরুম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের সামনে এসে পরীমনি জীবনে বারবার নানা ঝামেলায় পড়ার প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার কপালে মনে হয় এটাই লেখা; সারাজীবন ঝামেলা হবে, এটাই মেনে নিয়েছি। এটা আমার ভালো লাগে, এনজয় করি।’
তবে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নারীদের হয়রানির বিষয়টি গুরুতর বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরীমনি বলেন, শুরুতে বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাননি। কিন্তু পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় শেষ পর্যন্ত প্রতিবাদ করেছেন।
তিনি জানান, ‘বিষয়টা অনেক সেনসিটিভ। আমার মতো মানুষ এটা গায়েই লাগানোর কথা না। প্রথম তিন-চার দিন তো পাত্তা দেইনি। যখন দেখলাম, এটা আর এভয়েড করতে পারছি না, তখন গিয়ে কথা বললাম। কোনো সাধারণ মেয়ের ক্ষেত্রে হলে অনেকে সুইসাইডও করে ফেলে। সেসব নিয়ে অহরহ নিউজ হয়েছে। সুতরাং এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়া জরুরি।’
এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া কনটেন্টের মাধ্যমে হয়রানি কেবল ব্যক্তিগত সম্মানহানির বিষয় নয়, বরং ভুক্তভোগীর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণেই পরীমনি মনে করেন, এমন ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সচেতনতা জরুরি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন