প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উল্লেখ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের কর্মসূচির আওতায় কে কোথায় কীভাবে টাকা খরচ করছে, তা প্রতি ছয় মাস পর পর্যালোচনা করা হবে। তবে প্রতি চার বছর পর তালিকা হালনাগাদ করা হবে, যেখানে সচ্ছল ব্যক্তিদের বাদ দেওয়া হবে।
সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভা শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন। ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’—এই নীতির ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ নীতিমালা প্রস্তুত করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাজেটে ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সরকারের এতো বড় কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। এখানে কোনো দলীয় লোকজন যুক্ত থাকবেন না। এটাই প্রথমবারের মতো সরকারের কোনো সামাজিক কর্মসূচিতে দলীয় লোকজন থাকছে না। শুধু সরকারি কর্মকর্তারাই এ কর্মসূচির জন্য কাজ করবেন। ধাপে ধাপে প্রতিটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।
তিনি জানান, সোনালী ব্যাংকের ‘টাকা পে’ অ্যাপ ব্যবহার করে এই অর্থ বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে মোট ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবার এই কার্ডের আওতায় প্রতিষ্ঠিত হবে। বরাদ্দকৃত অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা পরিবারের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং স্থিতিশীলতা থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে নেওয়াই এবারের বাজেটের প্রধান চ্যালেঞ্জ। এবারের বাজেটের সুফল যাতে সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে লক্ষ্যেই কাজ করবে সরকার।
অন্যদিকে, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। চট্টগ্রামে ছয়টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখতে পাওয়া যায়, এর মধ্যে পাঁচটি পরিবারই রোহিঙ্গা। তবে যখন জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) চাওয়া হয়, তখন তারা আর ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিতে আসছেন না।
তিনি আরও বলেন, কিছু পরিবারের নারীদের নামে সিম না থাকায় টাকা প্রদান করতে সমস্যা হয়েছে। তাই বাজেটে বিনামূল্যে সিম দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন