প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার কারণে দুই পক্ষের গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এক যুবক, যাঁর নাম অনিক (২০), নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার ফলে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোরে উপজেলার হরিপুর ও দড়িগাঁ এলাকায় সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। নিহত অনিক দড়িগাঁ এলাকার ওসমান মেম্বারের ছেলে এবং স্থানীয় নাজিম উদ্দিনের অনুসারী বলে জানা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে দীর্ঘদিনের বাইরে থাকা আলাল মুন্সি ও জবা মেম্বার মঙ্গলবার ভোরে স্পিডবোটযোগে নিলক্ষা ইউনিয়নে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারীদের সহায়তায় নাজিম উদ্দিনের সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে।
এরপর নাজিম উদ্দিনের সমর্থকরাও পাল্টা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে শুরু হওয়া সংঘর্ষ দ্রুত হরিপুর ও দড়িগাঁ এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছিল এবং কয়েক দফায় সকালে ১০টা পর্যন্ত চলতে থাকে। সংঘর্ষের সময় অনিক মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ আরও কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাজু (২৮) এবং মুবারক হোসেন (৩০)। তাদের প্রথমে নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আসাদুল্লাহ খান জানান, সকালে তিনজন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে এসেছিলেন। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
রায়পুরা থানার ওসি মুজিবুর রহমান বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অনিক নামে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন