প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামে টানা ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের ফলে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দানে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। ফলস্বরূপ, এসব এলাকার আনুমানিক ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুতগতিতে দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে, ভারী বর্ষণের ফলে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাও ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। এসব এলাকার জরুরি উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যরা মোতায়েন আছে।
আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রমকে আরও দ্রুত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন