প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হাইকোর্ট ঘোড়ার মাংস খাওয়া যাবে কি না, সে বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ কেন নেই, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন। একইসাথে, ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যিক ব্যবহার ও সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ন্ত্রণে আসন্ন ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন তৈরির নির্দেশনাও প্রদান করা হয়েছে।
এই আদেশটি এসেছে রোববার (৭ জুন) অভিনেত্রী জয়া আহসানের দায়ের করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে।
এর আগে ১১ মে দাখিল করা রিটে অসুস্থ প্রাণীকে মানুষের খাদ্য হিসেবে প্রতারণামূলকভাবে বাজারজাত করার অভিযোগে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছিল। পূর্ববর্তী অনুরোধ সত্ত্বেও কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা না নেয়ায়, পিটিশনকারীরা পুনরায় আদালতের শরণাপন্ন হন।
আবেদনে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পূর্ববর্তী অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি, প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংস বাণিজ্যের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে, তা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের অনুরোধও জানানো হয়েছে।
পিটিশনকারীরা অনুরোধ করেছেন, এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্দেশিকা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বাজেয়াপ্ত ও অসুস্থ ঘোড়ার নিলাম অবিলম্বে বন্ধ করতে এবং উদ্ধারকৃত প্রাণীর পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য যথাযথ সুবিধা বা অভয়ারণ্যের ব্যবস্থা করার নির্দেশিকা প্রদান করা হোক।
পিটিশনকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, তাৎক্ষণিক বিচারিক হস্তক্ষেপ না হলে এই অবৈধ কার্যক্রম জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হিসেবে থেকে যেতে পারে এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন