প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এবারের বিশ্বকাপে পিছিয়ে পড়ার পর অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফুটবলের ইতিহাসে একটি সোনালী অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছে আর্জেন্টিনা। ফাইনালের জন্য তাদের লড়াইয়ে হ্যারি কেইন এবং বেলিংহামদের রুখে দিয়ে আলবিসেলেস্তেরা টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনাল খেলার গৌরব অর্জন করেছে।
এই জয়ের মাধ্যমে, গত চারটি বিশ্বকাপের তিনটিতেই ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে আলবিসেলেস্তেরা। ২০১৪ সালের পর থেকে, আর্জেন্টিনা কেবল একবারই বিশ্বকাপের ফাইনাল মিস করেছিল; তা ছিল ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে। ওই বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের কাছে দ্বিতীয় রাউন্ডে (শেষ ষোলো) হেরে বিদায় নেয় তারা।
আর্জেন্টিনার এই অবিশ্বাস্য যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে, ব্রাজিলের মাঠে। তৎকালীন কোচ আলেহান্দ্রো সাবেলার অধীনে দীর্ঘ ২৪ বছরের খরা কাটিয়ে ফাইনালে উঠেছিল আলবিসেলেস্তেরা। নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম এবং নেদারল্যান্ডসকে বিদায় করে ফাইনালে পৌঁছালেও অতিরিক্ত সময়ের গোলে জার্মানির কাছে হেরে তাদের রানার্সআপ হতে হয়েছিল।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে, লিওনেল স্কালোনির নেতৃত্বে আসে পরম আরাধ্য ট্রফিটি। প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হেরে স্তব্ধ হয়ে যাওয়া দলটি শেষে ফ্রান্সকে পরাজিত করে বিশ্বসেরার মুকুট লাভ করে। চার বছর পর চলতি বিশ্বকাপে ঐ চ্যাম্পিয়ন স্কোয়াডের অধিকাংশ খেলোয়াড়কে ধরে রেখেই আবার নতুন করে ফাইনালে পৌঁছেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
কিন্তু ১৯৯৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচটি বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের বাধাটাই পার হতে পারেনি আর্জেন্টিনা। সেখানকার গত চারটি আসরের তিনটিতে ট্রফি জয়ের শেষ ধাপে তারা পৌঁছেছিল। ব্যর্থতার সেই দীর্ঘ অন্ধকার অধ্যায় পিছনে ফেলে, আজ আর্জেন্টিনা বিশ্ব ফুটবলের একটি অপ্রতিরোধ্য শক্তি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন