প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এই মাসের মধ্যে চীনের উপকূল এবং প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু অনির্দিষ্ট এলাকায় বার্ষিক যৌথ মহড়া পরিচালনা করবে চীন এবং রাশিয়া। রবিবার (৫ জুলাই) চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানায়। তারা উল্লেখ করে যে, কিংদাওয়ের প্রধান বন্দরের কাছে যৌথ মহড়া শেষে প্রশান্ত মহাসাগরের অপ্রতিবন্ধিত কিছু অঞ্চলে যৌথ সামুদ্রিক টহল কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
এছাড়া, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ৫ জুলাই সোমবার থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই মহড়ায় অংশ নিতে রাশিয়ার প্যাসিফিক ফ্লিট বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ক্রুজার, একটি করভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ কিংদাওতে এসে পৌঁছেছে।
চীনের নর্দার্ন থিয়েটার কমান্ড জানিয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারী বাহিনীর মধ্যে দুটি ডেস্ট্রয়ার, একটি ফ্রিগেট, একটি সাবমেরিন, একটি সরবরাহকারী এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বেইজিং ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, উভয় দেশের নৌবাহিনী গোয়েন্দা নজরদারি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠে আঘাত হানার কৌশলগত মহড়া পরিচালনার লক্ষ্যে এই মহড়ার আয়োজন করা হচ্ছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চীন সফরের প্রায় দুই মাস পর এই মহড়াটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ওই সফরের সময় তিনি উভয় দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্তরকে ‘অভূতপূর্ব উচ্চ পর্যায়ে’ পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করেছিলেন। অন্যদিকে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দুই দেশের এই অংশীদারিত্বকে ‘অটল’ বলে বিবৃত করেছেন।
এছাড়া কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ২০১২ সাল থেকে যৌথ নৌ-মহড়া (জয়েন্ট সি এক্সারসাইজ) পরিচালনা করে চলেছে। গত বছরের মহড়াটি রাশিয়ার ভ্লাদিভস্তক বন্দরের কাছে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর পরে প্রশান্ত মহাসাগরে যৌথ টহল কার্যক্রমও চালানো হয়েছিল।
সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন