প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বগুড়ার কাহালু উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’- এর এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে।
শনিবার রাতে, রাজধানীর ধানমন্ডির ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে এক জমকালো আয়োজনের মধ্যে ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম উক্ত দলিল তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এমপি। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামারের সম্মানিত চারজন উপদেষ্টা, ৪০ সদস্যের অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যরা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক অনুষ্ঠানে বলেন, সরকার সৃজনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, শুধু চাকরি নয়, বরং খেলাধুলা সহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন খাতের উন্নয়ন সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সুখের খামারের মতো উদ্যোগের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সব সময় থাকবে। তিনি জানান, দেশের প্রতিটি পরিবারের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ‘ফাউন্ডাররা আমাদের কাছে বিনিয়োগকারী নন- তাঁরা মালিক, প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা। তাঁদের আস্থার মর্যাদা রক্ষাই আমাদের প্রথম অঙ্গীকার।’
সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম অনুষ্ঠানে বর্তমান সময়ে এগ্রো ভিলেজের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু একটি খামার বা রিসোর্ট গড়ছি না - আমরা এমন একটি মডেল গড়ছি যা ব্যবসার পাশাপাশি একটি গ্রামকে বদলে দেয়। আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করেছে যে, হাজারো মানুষ সেই স্বপ্নে বিশ্বাস রাখেন।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত দেড় বছরে পূর্ণাঙ্গ রিসোর্ট চালুর পূর্বে প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছেন দুই হাজারের বেশি অতিথি, রাত্রিযাপন করেছেন নয় শতাধিক, এসেছেন সাতজন বিদেশি ভ্রমণকারী। প্রকল্পের মাধ্যমে বাগইল গ্রামে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনীতি যুক্ত হয়েছে, ৪০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং ‘সুখের হাসি’ প্রকল্পে ১০ জন নারী স্বাবলম্বী হয়েছেন। সামনে রয়েছে ১০০ রুমের আন্তর্জাতিক মানের এগ্রো রিসোর্ট, জামে মসজিদ ও হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণের কর্মসূচি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন