প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে যুগলদের অনাকাঙ্ক্ষিত মেলামেশা ও আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ উঠেছে।
বিশেষ করে রাতের আঁধারে এসব ঘটনার কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অস্বস্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সার্বিক পরিবেশ সুশৃঙ্খল রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
শিক্ষার্থীদের মতে, ক্যাম্পাসের লেকপাড়, কফি হাউস, মন্দির সংলগ্ন এলাকা এবং কেন্দ্রীয় মাঠের বসার বেঞ্চসহ বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায়ই যুগলদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। রাতের বেলা এসব স্থানে সাধারণ মানুষের চলাচল কমে যাওয়ার সুযোগে অনেকেই এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই নন, বাইরের এলাকার স্থানীয় তরুণ-তরুণী ও বহিরাগতদেরও রাতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট করতে দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন আরিফ জানান, সম্পর্ক বা প্রেম-ভালোবাসা স্বাভাবিক হলেও তা যখন অসামাজিক বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে রূপ নেয়, তখন তা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু লাগে। তিনি সম্প্রতি সমলিঙ্গের এক যুগলকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে দেখেছেন উল্লেখ করে ক্যাম্পাসের সার্বিক সৌন্দর্য রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারির আহ্বান জানান।
একই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মারজাহান আক্তার শিমু বলেন, বহিরাগতদের অবাধ চলাচলের কারণে ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বেশি। শৃঙ্খলা রক্ষায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্যাম্পাসের সংবেদনশীল পয়েন্টগুলোতে নিয়মিত নিরাপত্তা টহলের জোর দাবি জানান তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আহসান সৌরভ জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে ইতিমধ্যেই আনসার সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী বা বহিরাগতকে অসংগতিপূর্ণ কিংবা আপত্তিকর অবস্থায় দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রক্টরিয়াল বডিকে জানাতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে ক্যাম্পাসে টহল পরিচালনা করা হয়। এর আগেও একাধিক যুগলকে অপ্রীতিকর অবস্থায় পাওয়া গেলে তাদের বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। পরবর্তীতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ডেকে এনে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন