প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানে আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি আবারও দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ১১ দশমিক ২ শতাংশে অবস্থান করছে, যেখানে আগের মাসে এটি ১০ শতাংশের নিচে ছিল।জ্বালানি ও খাদ্যের উচ্চমূল্য এবং সরকারি করের কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ চাপে পড়েছে। এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনের (এএনআই) প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।এর আগে, গত এপ্রিলে পাকিস্তানে মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ঘর ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যা প্রায় ২১ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো ঘটেছিল।দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান পরিসংখ্যান ব্যুরোর (পিবিএস) তথ্য অনুযায়ী শহর ও গ্রাম উভয় ক্ষেত্রেই ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) অনুযায়ী মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের তথ্যমতে, মূল্যবৃদ্ধির জন্য সরকারের নীতিকে দায়ী করা হচ্ছে, যেখানে আন্তর্জাতিক জ্বালানি খরচ ও বিভিন্ন করের পুরো চাপ ভোক্তাদের ওপর চাপানো হয়েছে। একই সময়ে প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্ত গম সরবরাহ নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। পেট্রলে পেট্রলিয়াম লেভি, কার্বন লেভি ও কাস্টমস ডিউটি মিলিয়ে প্রতি লিটারে ১১৬ পাকিস্তানি রুপি কর দিতে হচ্ছে। হাই-স্পিড ডিজেলের ক্ষেত্রে এ কর ১০১ পাকিস্তানি রুপি।এক বছরের তুলনায় মোটর জ্বালানির দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে পরিবহন খাতের মূল্যস্ফীতি ২০ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে। টোলা অ্যাসোসিয়েটসের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ডলারের হিসেবে ডিজেলের দাম দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ। আর পেট্রলের দাম বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।খাদ্যপণ্যের দামও উদ্বেগের সৃষ্টি করছে।শহরাঞ্চলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ১ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলে ১৩ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে। এক বছরের মধ্যে টমেটোর দাম ১২৮ শতাংশ, পেঁয়াজের দাম ১২৫ শতাংশ, গমের দাম ৮৭ শতাংশ এবং গমের আটার দাম ৭৩ শতাংশ বেড়েছে। দুগ্ধজাত পণ্যের দামও প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, সরকার এ বছর ২ কোটি ৯৭ লাখ টন গম উৎপাদনের দাবি করেছে।সিন্ধু ও পাঞ্জাব গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকার এখন ১০ লাখ টন পর্যন্ত গম আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মজুদদারির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম কমানো সম্ভব হয়নি।দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরাঞ্চলে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলে ১১ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে।অন্যদিকে, মূল মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৮ শতাংশের মধ্যে অবস্থান করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন