প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্যাংককের একটি বারে গত মাসে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে ৩৭ জনের প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনার পরে, বারটির মালিকের বিরুদ্ধে অবহেলাসহ মোট ছয়টি অভিযোগে মামলা করার জন্য থাই পুলিশ প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা সোমবার এ তথ্য জানান।
জনপ্রিয় রং বিয়ার না লাদ ফ্রাও রেস্তোরাঁ ও বারের মালিক সুবিচা সালাইবাত্র ১২ জুলাই সন্ধ্যায় তার প্রতিষ্ঠানটিতে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বেশ কয়েক ডজন মানুষদের মধ্যে ছিলেন। ব্যাংকক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
প্রধান তদন্তকারী ইসারা না পাত্থালুং এএফপিকে বলেন, ‘অবহেলার কারণে মৃত্যু, গুরুতর আহত হওয়া, ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ড ঘটানো, অপরাধমূলক দুষ্কর্ম এবং লাইসেন্স ছাড়া বিনোদনকেন্দ্র পরিচালনাসহ ছয়টি অভিযোগের জন্য গত সপ্তাহে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’
ইসারা বলেন, ‘তিনি নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট থেকে বের হয়ে এসেছেন। কিন্তু চিকিৎসক এখনও পুলিশকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো পড়ে শোনানোর জন্য অনুমতি দেননি।’
তিনি বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুলিশ তাকে এই ঘটনায় একমাত্র সন্দেহভাজন হিসেবে অভিযুক্ত করার আচরণ করছে।
অবহেলার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে বারটির মালিকের সর্বোচ্চ দশ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
পুলিশ জানায়, আগুনে মৃতদের অধিকাংশই শ্বাসের মাধ্যমে ধোঁয়া গ্রহণ করে মারা যান। আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল ছাদের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে।
থাইল্যান্ডে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিধিমালা বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে বার ও নাইটক্লাবগুলোর ক্ষেত্রে এই উদ্বেগ ব্যাপক।
২০০৯ সালে নববর্ষ উদযাপনের সময় ব্যাংককের সান্তিকা ক্লাবে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৬৭ জনের মৃত্যু ঘটে এবং ২০০-এরও বেশি মানুষ আহত হন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন