প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দখলকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতার অভিযোগে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স ও নরওয়ে।
মঙ্গলবার এই পাঁচটি দেশ সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং যৌথ একটি বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “তারা ‘অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি’ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে এবং ভবিষ্যতের জন্য আরও ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।”
নতুন করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার পর উল্লেখিত দেশগুলো সতর্ক করে জানায়, যদি ইসরায়েল সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।
যুক্তরাজ্য সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস স্যাংশনস রেজিমের আওতায় সাতজন নতুন ব্যক্তি ও সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব ব্যক্তি এবং সংস্থা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিদাতা কার্যক্রমের সহিংস কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্য দিকে, ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারো জানিয়েছেন, ফ্রান্সও তাদের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দখলকৃত অঞ্চলে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা নিয়ে জড়িত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সমন্বিত পদক্ষেপ আন্তর্জাতিকভাবে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন নীতির ওপর চাপ বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিম তীর অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স ও নরওয়ে স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা এবং কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা, ইউকে সরকারি ওয়েবসাইট
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন