প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী হাতের অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। তিনি হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় চিকিৎসক ও নার্সদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন।
হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মিঠুন বলেন, ‘‘তিন দিন চোখের নিমেষে কেটে গেল। বুঝতেই পারিনি। সব চিকিৎসককে আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। বিশেষজ্ঞদের পুরো টিম যাঁরা আমাকে সুস্থ করে তুললেন তাঁদের অনেক ধন্যবাদ।
নার্সদের কাছে থেকেও খুব যত্ন পেয়েছি। তার জন্যই আমি এত তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে পারছি। অস্ত্রোপচারের দিনেই লক্ষ্য করলাম, আমার আঙুল দিয়ে কিছু ধরার মতো অবস্থা ফিরে পাচ্ছি। আমাকে এত সুন্দর সেবা করার জন্য মন থেকে সবাকেই ধন্যবাদ জানাই।”
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ডান হাতে অস্ত্রোপচার করা হয় মিঠুনের। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছিল, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। এর আগে একই হাতের কনুইয়ে অস্ত্রোপচার হয়েছিল অভিনেতার। এবার অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয় তাঁকে। শারীরিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় শনিবার হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শনিবার বাইপাস সংলগ্ন হাসপাতালের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ প্রসাদ কৃষ্ণন এক বিবৃতিতে জানান, মিঠুনের হাতের সমস্যাটি কিছুটা জটিল ছিল। আগে অন্য একটি হাসপাতালে তাঁর কনুইয়ে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। ওই অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত একটি প্লেটের সঙ্গে হাতের একটি নার্ভ আটকে গিয়েছিল। প্লেটের স্ক্রুগুলোও নার্ভের ওপর চাপ তৈরি করছিল।
চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু প্লেটটি সরিয়ে ফেললেই সমস্যার সমাধান হতো না। নার্ভটিকে আলাদা করে মুক্ত করতে হতো এবং অন্য জায়গায় সেট করতে হতো, যাতে হাতের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনা যায়। এবারের অস্ত্রোপচারে সেই কাজটিই করা হয়েছে বলে জানান প্রসাদ কৃষ্ণন।
এর আগে শুক্রবার সকালে হাসপাতালে মিঠুনকে দেখতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী জানান, তাঁকে জানিয়েই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অভিনেতা। এদিন রাতেই মিঠুনকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছান অভিনেতা দেব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন