প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় কীটনাশক ট্যাবলেট সেবনের পর মো. লিল মিয়া (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক হতাশা ও একাকিত্বে ভুগছিলেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) ভোররাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত লিল মিয়া নবীনগর উপজেলার পূর্ব ইউনিয়নের বগডহর গ্রামের ইমামবাড়ির বাসিন্দা এবং মৃত কিনু মিয়ার ছেলে। তার পরিবারে চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার (১২ জুলাই) রাত ৮টার দিকে তিনি চালের পোকা দমনে ব্যবহৃত একটি কীটনাশক ট্যাবলেট সেবন করেন। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোররাত ৩টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহতের ছোট ছেলে মো. মনিরুল ইসলাম জানান, প্রায় ১৬ বছর আগে তার মা শামসুন্নাহার ক্যান্সারে মারা যান। এরপর থেকেই তার বাবা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং একাকিত্বে ভুগছিলেন। কয়েক মাস আগে তিনি স্ট্রোকে আক্রান্তও হয়েছিলেন। পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তবে কী কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা পরিবারের সদস্যদের জানা নেই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, কীটনাশক সেবনের ঘটনায় এক বৃদ্ধের মৃত্যুর খবর পেয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন