প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশে চাহিদার তুলনায় বেশি সার মজুদ রয়েছে, তবে সম ডিস্ট্রিবিউশনে কিছু সমস্যা বিদ্যমান বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি উল্লেখ করেন, ‘অনেকেই সঠিকভাবে সার সরবরাহ না করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছেন।
আমাদের বার্তা স্পষ্ট, সার নিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে মব, আতঙ্ক ও গুজব সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না।’
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলা মিলনায়তনে প্রশাসন ও জেলার সকল নিবন্ধিত রাসায়নিক সার ডিলারদের সঙ্গে সার সরবরাহ, বিতরণ, মজুদ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সময়ে যাদের সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকেই একটি দলের অনুসারী। কিছু কিছু ব্যক্তি পারিবারিকভাবে ডিলার হয়েছেন।
এদের মধ্যে অনেকেই বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।
তিনি আরো জানান, সুষ্ঠুভাবে কৃষকদের কাছে সার পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার প্রতি ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বর্তমান ডিলারদেরও বাদ দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, ছোট ও বর্গা কৃষকরা সার কিনতে সমস্যায় পড়েন। তাদের অল্প পরিমাণ সার প্রয়োজন, কিন্তু তারা ঠিকভাবে তা পান না। আপনি স্বীকার করুন বা না করুন, সারের দাম ১২০০ টাকা, কিন্তু তা রাতের অন্ধকারে ১৭০০/১৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রশাসনকে আমি বলব—আপনাদের শক্ত হাতে পদক্ষেপ নিতে হবে, যেন কেউ সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে এক টাকা বেশি দামে কোনো সার বিক্রি করতে না পারে।
এ সময় তিনি কৃষকদের অতিরিক্ত সার মজুদ ও জমিতে ব্যবহার না করার জন্যও অনুরোধ করেন।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন—জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, চেম্বারের সভাপতি শরিফ হোসেনসহ প্রশাসন ও কৃষি অফিসের কর্মকর্তাগণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন