প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কলেরা প্রতিরোধের জন্য সারাদেশে আজ থেকে শুরু হয়েছে দুই ডোজের ওরাল কলেরা টিকাদান ক্যাম্পেইন। এই ক্যাম্পেইনে ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি উপজেলা ও থানায় প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হবে ২২ আগস্ট থেকে, যা চলবে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার সময় নির্ধারিত রয়েছে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। রোগের থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দুই ডোজই গ্রহণ করা আবশ্যক।
এই টিকাদান কর্মসূচিতে ১ বছর বা এর বেশি বয়সী প্রতিটি নাগরিককে বিনামূল্যে কলেরার টিকা খাওয়ানো হবে। তবে গর্ভবতী নারীরা এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় থাকবেন না।
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকা দেওয়া হবে। সারাদেশে টিকার আওতায় মোট ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর থানার ১৭টি ওয়ার্ডের মাধ্যমে ১৯২টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) শেরেবাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও, সেই সঙ্গে মুন্সিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নির্দিষ্ট অঞ্চলেও এ কার্যক্রম চলবে।
সম্প্রতি এই ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একসময় কলেরায় গ্রামের পর গ্রাম ধ্বংস হয়ে যেত। বর্তমানে রোগটি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবের কারণে সবাইকে সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে। জাতীয় অন্যান্য টিকাদান কর্মসূচির মতো এই ক্যাম্পেইন সফল করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। একইসঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম জানান, পুরান ঢাকাসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইপিআই কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে ডিএসসিসির। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ১৭টি ওয়ার্ডে কলেরার টিকাদান কর্মসূচি সফল করার জন্য তারা দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রসঙ্গত, ভিব্রিও কলেরি জীবাণুর সংক্রমণ কলেরার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মুখে খাওয়ার উপযোগী এই টিকা কলেরা প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং আক্রান্ত হলে রোগের তীব্রতা কমাতেও সহায়ক হয়। টিকা নেওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ পানি পান করা, খাবার ঢেকে রাখা এবং নিয়মিত হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন