প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১০টি ভেন্টিলেটর মেশিনের মধ্যে ৯টি সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে। এই তথ্য জানার পর গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তিনি মন্তব্য করেন, ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ে আইসিইউর সব যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছিল। এখানে প্রতিটি বেড প্রস্তুত ছিল, যেখানে ভেন্টিলেটর, মনিটরসহ সব ধরনের যন্ত্রপাতি ছিল। তবে, এখানে বরাদ্দকৃত ভেন্টিলেটরগুলো একেবারেই নিম্নমানের ও সস্তা ছিল। যার কারণে, চালু করার আগেই এদের কার্যক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে, চালু করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে যে, ১০টি ভেন্টিলেটর মেশিনের মধ্যে ৯টি ভেন্টিলেটর সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে।
এটি নিয়ে তিনি জানান, দেশের ১০ জেলায় ১০ শয্যাবিশিষ্ট নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে রবিবার (১৪ জুন) গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ম্পি বাবর বলেন, আইসিইউ করা হয়েছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জেলা এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা। তাহলে ২০২০ সালে কেন এটি চালু করা হয়নি? বিগত ছয় বছর ধরে এখানকার যন্ত্রপাতিগুলো কেন অকেজো হয়ে পড়েছিল? কেন আমরা এটি চালু করতে পারিনি?
তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকারের বয়স সাড়ে তিন মাসও হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আজ সারা দেশের ১০টি জেলায় এই আইসিইউ উদ্বোধন করা হয়েছে, যার মধ্যে গোপালগঞ্জও রয়েছে। ২০২০ সালে যারা এসব ভুয়া যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে, বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে আমরা তাদের বিচার দাবি করছি।
এমপি বাবর প্রশ্ন করেন, গোপালগঞ্জবাসী গত ছয় বছর ধরে কেন এই সেবা থেকে বঞ্চিত হলো? বিগত সরকার কী করেছে? কেন এই ছয় বছর আইসিইউটি চালু করা হয়নি?
গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের সাবেক পিডি এবং গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সাবেক সহকারী পরিচালক ডা. অসিত মল্লিকের নাম উল্লেখ করে এমপি বাবর বলেন, ডা. অসিত মল্লিক গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটিকে লুটপাট করে খেয়েছেন। যদি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাহলে এই দুটি প্রতিষ্ঠানের লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের নাম বেরিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে ডা. অসিত মল্লিক জানিয়েছেন, এই প্রকল্প ডিজি অফিস থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। এটা শুধুমাত্র গোপালগঞ্জ নয়, বরং সারা দেশেই ঘটেছে। পিডির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। এখানে আমার বা স্থানীয় কোনো অফিসারের হস্তক্ষেপ ছিল না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন