প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বান্দরবানে নানা স্থানে আবারও বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারী বষর্ণে বান্দরবানের এবং সাঙ্গু নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় জেলা শহরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। জেলা শহরের ইসলাম পুর, আর্মিপাড়া, শেরে বাংলা নগর, ব্রীগেড এলাকা, বালাঘাটার আম বাগান, ক্যাচিংঘাটা, হাফেজঘোনা এবং অন্যান্য নিম্নাঞ্চলসহ নদী তীরবর্তী বেশকিছু এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে জেলার কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ছেন।
শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতভর বৃষ্টিপাত হওয়ায় নিম্নাঞ্চল আবারও পানির নিচে তলিয়ে যায়।
এদিকে, পাহাড় ধসে রুমা, রোয়াংছড়ি এবং বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কের যোগাযোগ একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। যানবাহনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগ ভোগ করছেন।
এ ছাড়া, এখনও বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। তবে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। জেলা মোট ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং প্রায় ৫ হাজারেরও বেশি বন্যাকবলিত মানুষ সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন। বান্দরবান সদর জোনের সেনাবাহিনী ফলো একাধিক বন্যাকবলিত ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে এবং খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে।
বান্দরবান পৌরসভার পক্ষ থেকে আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের শুকনা খাবারের সঙ্গে রান্না করা খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, মশার কয়েলও প্রদান করা হচ্ছে। চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করে যাচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে পুকুর থেকে পানি তুলে সেই পানি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরিশোধন করে জনসাধারণের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন