প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আলাদা করে জানিয়েছেন, পাহাড়খেকোরা যতই প্রভাবশালী হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ১৪ জুলাই মঙ্গলবার কক্সবাজারের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সরেজমিনে দেখতে যাওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন, যেটি জেলা পরিদর্শন শেষে উদ্ভব হয়। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে যেভাবে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে, বর্তমান সরকারের আমলে আগামীতে তা আর চলবে না। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, পাহাড়খেকোরা যতই প্রভাবশালী হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, কোথাও স্লুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়ে থাকলে, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের অবকাঠামো সংস্কার করাসহ কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু ও বসতবাড়ির ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে এমন নিশ্চয়তা প্রতিমন্ত্রী দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে। কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, পুলিশসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দের পাড়ায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন