প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে শিম চাষ নিয়ে কৃষকেরা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। এ বছর উপজেলায় প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি। মাঠজুড়ে সবুজ শিমগাছ, সাদা ফুল ও গাছে ঝুলন্ত শিম দেখে স্থানীয় চাষিরা এবার বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছেন। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি শিম ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শিমখেতে গিয়ে দেখা গেছে, কৃষকেরা গাছের নিবিড় পরিচর্যা ও আগাছা পরিষ্কারে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গাছে প্রচুর ফুল ও কচি শিম আসায় তাঁদের মধ্যে দারুণ আশাবাদ তৈরি হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো বাজারদর বজায় থাকলে এ মৌসুমে শিম চাষ থেকে বিপুল লাভের আশা করছেন তাঁরা।
উপজেলার জগদীশপুর এলাকার শিমচাষি সাইফুল ইসলাম বলেন, "বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শিম ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এই বাজারদর শেষ পর্যন্ত বজায় থাকলে শিম চাষে এবার ভালো সফলতা আসবে বলে আশা করছি।"
স্থানীয় বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় সবজি হিসেবে শিম চাষে কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তবে বীজ, সার, শ্রমিকের মজুরি ও জমি পরিচর্যার খরচ মেটানোর পর ন্যায্যমূল্য পাওয়ার ওপরই কৃষকের প্রকৃত লাভ নির্ভর করছে।
মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজিব সরকার জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি অর্থাৎ মোট ২৮০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে। শিম চাষে কৃষকদের এই আগ্রহ কৃষি খাতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। সঠিক পরিচর্যা, সুষম সার প্রয়োগ ও রোগবালাই দমনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া সম্ভব। কৃষকেরা যাতে উৎপাদিত শিমের ন্যায্যমূল্য পান, সেদিকে খেয়াল রাখার পাশাপাশি কৃষি বিভাগ থেকে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
মৌসুমজুড়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বাজারে শিমের ন্যায্য দাম বজায় থাকলে এবার আর্থিকভাবে লাভবান হবেন মাধবপুরের কৃষকেরা-এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন