প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কটিয়াদীর কলামহলা দরগাহ জামে মসজিদের ভেতরে জানাজার প্রস্তুতি চলছে। মসজিদের সামনে কিছু সনাতন ধর্মাবলম্বী দাঁড়িয়ে আছেন।
মসজিদের অভ্যন্তরে প্রবীণ ব্যবসায়ী ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রহমানের (৯৫) জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাইরে দাড়িয়ে আছে ইন্দ্রজিত, সুজিত, মধুসূদন এবং বিপ্লব কুমার সাহা।
কারো চোখ অশ্রুসিক্ত, আবার কারো মুখাবয়বে শোকের ছাপ পরিষ্কার। প্রিয় একজনকে শেষ বিদায় জানাতে তাদের উপস্থিতি।
এমন এক দৃশ্য দেখা গেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌর এলাকার কলামহলা দরগাহ জামে মসজিদে।
মৃত আব্দুর রহমান কটিয়াদী পৌর এলাকার পূর্বপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি একজন প্রবীণ ব্যবসায়ী এবং সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। এছাড়াও, আব্দুর রহমান দীর্ঘকাল ধরে স্থানীয় দরগাহ জামে মসজিদের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সোমবার (১৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন (মঙ্গলবার) দুপুরে জোহরের নামাজের পর তার জানাজা সম্পন্ন হয়।
পরে তার দেহ মসজিদের পাশে অবস্থিত সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আব্দুর রহমানের জানাজায় হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এই সময় মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন পৌর এলাকার বাসিন্দা শিক্ষক ইন্দ্রজিত কুমার সাহা, সুজিত কুমার সাহা, মধুসূদন সাহা এবং পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর বিপ্লব কুমার সাহা।
শিক্ষক ইন্দ্রজিত কুমার সাহা বলেন, ‘মরহুম আব্দুর রহমান এলাকার প্রবীণ ব্যবসায়ী ছিলেন। আমার প্রয়াত বাবার সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক ছিল। তার মৃত্যুর সংবাদ আমাদের মতো অন্যদেরকেও শোকাহত করেছে। তাই আমরা শেষ বিদায়ের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এখানে এসেছি।’
শিক্ষক সুজিত কুমার সাহা বলেন, ‘আব্দুর রহমান খুবই বিনয়ী মানুষ ছিলেন। আমাদের পরিবারের সঙ্গে তার অনেক আগে থেকেই গভীর সম্পর্ক ছিল। তার শেষ বিদায়ের সময় আমাদের উপস্থিতি এবং আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।’
সাবেক স্থানীয় পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিপ্লব কুমার সাহা বলেন, ‘এলকার প্রতিটি মৃত্যু আমাকে শোকাহত করে। আমি সবসময় চেষ্টা করি, কেউ মারা গেলে সেখানে উপস্থিত হতে। ধর্ম কখনো কারো সম্পর্ক আলাদা করে না। মরহুম ব্যক্তি খুবই সাদা মনের মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যু অন্যান্যদের মতো আমাকেও শোকাহত করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন