প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ হতে সম্প্রতি ব্রাজিলে আগত দুই জন রোগীর ইবোলা-সংশ্লিষ্ট উপসর্গ দেখা দেওয়ায়, তাদেরকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে, পরে জানা গেছে যে, তাদের মধ্যে একজনের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ইবোলা ভাইরাসের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। দেশটির কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র। সাও পাওলো রাজ্য সরকার শনিবার এক বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছে, ৩৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি সম্প্রতি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি) সফর করে এসেছেন। সেখানে ইবোলা প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি জ্বরসহ বিভিন্ন উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে সন্দেহভাজন রোগী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। সেই ব্যক্তিকে সাও পাওলোর এমিলিও রিবাস সংক্রামক রোগ ইনস্টিটিউটে আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তারা রোববার জানায়, ওই রোগীর মধ্য থেকে মেনিনজাইটিস বা মস্তিষ্কের চারপাশের ভাইরাসের একটি গুরুতর ধরন শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তার শরীরে ইবোলা ভাইরাস আছে কি না, তা জানার জন্য আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
উগান্ডা থেকে গত ২২ মে ব্রাজিলে আসা আরেকজন ব্যক্তিকে রিও ডি জেনেইরোতে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার মধ্যে কাশি, ঠাণ্ডা লাগা ও ডায়রিয়ার মতো ভাইরাসজনিত উপসর্গ দেখা গেছে। রিও সিটি হল রোববার এএফপিকে জানায়, ওই ব্যক্তির পরীক্ষায় ম্যালেরিয়া ধরা পড়েছে। তবে তাদের তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
আরো উল্লেখযোগ্যভাবে, রোববার ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ওই ব্যক্তির স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ইবোলা ভাইরাসের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে, এই ঘটনার তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আইসোলেশনে রাখা হবে। আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র বৃহস্পতিবার জানায়, ১৫ মে ইবোলা প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর থেকে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) ইবোলা সন্দেহভাজন সহস্রাধিক রোগীর শনাক্ত হয়েছে, এর মধ্যে প্রায় ২৫০ জনের মৃত্যু ঘটেছে। উগান্ডা সীমান্তবর্তী এলাকায় কয়েকটি সংক্রমণ ও একটি মৃত্যুর ঘটনা সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, ডিআরসিতে এই প্রাদুর্ভাবটি শনাক্ত হওয়ার আগেই সম্ভবত ছড়িয়ে পড়েছিল, তাই বাস্তবে এর বিস্তার আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সাও পাওলো সরকার জানিয়েছে, সন্দেহভাজন এই রোগীর ঘটনা সত্ত্বেও, প্রযুক্তিগত মূল্যায়নে দেখা গেছে যে, এই রোগ ব্রাজিল ও দক্ষিণ আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এখনো খুবই কম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন