প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তিন জন শিক্ষার্থীর কাউকে পাস করতে দেখা যায়নি। অথচ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকসহ ১১ জন শিক্ষক এবং ৫ জন কর্মচারী সরকারি বেতন-ভাতা (এমপিও) পাচ্ছেন।
১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ২০০৫ সালে নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হয়। এরপর ২০২৫ সালে এটি মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত করার অনুমতি লাভ করে। গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছয় জন শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছিল। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২০০ রয়েছে।
তবে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে তিনজন পরীক্ষা দিয়েছে এবং তাদের সবাই গণিতে ফেল করেছে।
শতভাগ অকৃতকার্যের কারণে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাদাত হোসেন জানান, ‘এর আগে আমাদের বিদ্যালয়ের ফলাফল কখনো এমন খারাপ হয়নি। যে তিন জন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল, তারা সবাই গণিতে অকৃতকার্য হয়ে গিয়েছে। বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক ফারুক খালেক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং বর্তমানে একটি মামলায় কারাগারে থাকায় গণিত বিষয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।’
এছাড়া গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপুরী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে একই রকম দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ওই প্রতিষ্ঠানে পাঁচজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, কিন্তু তাদের মধ্যে একজনও পাস করতে পারেনি।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান মন্তব্য করেন, ‘এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমন ফলাফল আশা করা যায় না। কী কারণে এমন বিপর্যয় ঘটেছে, তা জানতে সংশ্লিষ্ট দুটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, শিগগিরই বিদ্যালয় দুটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে তদন্ত করা হবে এবং তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন