প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমাদের প্রাপ্তি, প্রত্যাশা আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। একইসাথে এই সময় ধৈর্যের চ্যুতি ঘটে গেছে। বর্তমানে জাতি গঠনে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
শনিবার দুপুরে যশোরে অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর এবং কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসানের সভাপতিত্বে সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেই মূল দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। সন্দেহ নেই, অধিকাংশ মা-বাবা আগামী শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেভাবে প্রস্তুত নয়। এজন্য সরকার শিক্ষকদের একটি স্বচ্ছল জীবন প্রদানের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং তাদের প্রশিক্ষিত করতে চাচ্ছে, যাতে তারা শিক্ষার্থীদের যথার্থভাবে প্রস্তুত করতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, রাতারাতি এই পরিবর্তনগুলো হবে না। এই কারণে আপনাদের জায়গা থেকে একটি জনমত তৈরি করতে হবে। এর জন্য ধৈর্য প্রয়োজন। জাতি গঠনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেভাবে ভূমিকা রেখেছেন; একইভাবে আপনারা নিজের সমাজে, পাড়া-মহল্লায় নিজেদের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে যশোরের ২ হাজার ৭৯১ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর মধ্যে ৮৭ কোটি ৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা অর্থ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে কল্যাণ তহবিলের আওতায় ১ হাজার ৮২৫ জন সুবিধাব্যক্তির মাঝে ২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা হারে ৪৩ কোটি ৬১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া অবসর তহবিলের আওতায় ৯৬৬ জন সুবিধাভোগীর মাঝে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা হারে ৪৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা প্রদান করা হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে এ আর্থিক সুবিধা প্রদান নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন