প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মাহ্ফুজ সরকার রাকিব গভীর রাতের একটি ঘটনায় এক তরুণীর বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরে ওই তরুণীর সঙ্গে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মাহফুজ বিয়ের বিষয়টি স্বীকার করলেও আটক হওয়ার ঘটনাটিকে তিনি ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) মাহফুজ গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোলদহ (সৈয়দপুর) গ্রামের আব্দুল জলিলের বাড়িতে যান। সেখানকার স্থানীয় লোকজন তাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়েছিলেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী রাতে ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে মাহ্ফুজকে আটক করে।
পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় আব্দুল জলিলের মেয়ে জুই আক্তারের সঙ্গে মাহ্ফুজ সরকার রাকিবের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
মাহ্ফুজ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘শুক্রবার পারিবারিকভাবেই তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে’। তিনি দাবি করেন, আগের রাতে উভয় পরিবারের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে কনের বাড়িতে বিয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল এবং এই জন্যই তিনি রাতে সেখানে অবস্থান করেছিলেন। পরের দিন সকালে পারিবারিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়।
তিনি বলেন, এর মধ্যে কোনো আপত্তিকর বিষয় নেই। মাহ্ফুজ আরও জানান, ‘কিছু ব্যক্তি গোপনে ভিডিও ধারণ করে তার আংশিক ও খণ্ডিত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন’। তার দাবি, প্রচারিত ভিডিওগুলো বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
এদিকে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহেল রানা সাংবাদিকদের জানান, ‘মেয়ের সঙ্গে আগে থেকেই ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহফুজ রাকিবের সম্পর্ক ছিল। রাতে এলাকাবাসীর হাতে আটক হওয়ার পর শুক্রবার স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় আব্দুল জলিলের মেয়ে জুই আক্তারের সঙ্গে ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে মাহফুজ রাকিবের বিয়ে হয়েছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন