প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় রেথিমনোয় ভয়াবহ দাবানলের করাল গ্রাসে বিপুল এলাকা আক্রান্ত হয়েছে।
অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়া এই আগুনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে বুধবার নিহত হয়েছেন দেশটির তিন দমকলকর্মী। তীব্র বাতাসের প্রভাবে পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। গ্রিক ফায়ার সার্ভিস এক বিবৃতি দিয়ে অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের এই আত্মত্যাগের জন্য বীরত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়েছে, এবং নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
বর্তমানে দাবানল নিয়ন্ত্রণে ১৫৬ জন ফায়ার সার্ভিস কর্মী, ৮টি গ্রাউন্ড টিম, ৩৩টি ফায়ার ইঞ্জিন এবং ৮টি আকাশযান অবিরত কাজ করে যাচ্ছে। এ ছাড়াও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় পৌরসভার পানি ট্যাঙ্কার ও ভারী যন্ত্রপাতিও ব্যবহার করা হচ্ছে। বিউফোর্ট স্কেলে প্রায় ৭ মাত্রার তীব্র বাতাসের কারণে আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, যার ফলে উদ্ধারকাজ চরম ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে।
দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠায় ১১২ জরুরি সংকেতের মাধ্যমে আশপাশের বেশ কয়েকটি লোকালয় ইতোমধ্যেই খালি করে ফেলা হয়েছে। এ পর্যন্ত আগিয়া গালিনি এলাকা থেকে প্রায় দুই হাজার পর্যটককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পর্যটক ও স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা যাচ্ছে না, তারা নির্দেশনা মেনে টিম্পাকির দিকে সরে যাচ্ছেন। একই সাথে সমুদ্রতীরবর্তী এলাকা থেকে কোস্টগার্ড ও ব্যক্তিগত নৌকার সহায়তায় অন্তত ২৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় অগ্নিনির্বাপক দপ্তর এবং হোটেল অ্যাসোসিয়েশন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য সাময়িক আশ্রয়ের ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতিকে 'নিয়ন্ত্রণের বাইরে' উল্লেখ করে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সকল সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাতিল করে এখন প্রধান অগ্রাধিকার মানুষের জীবন রক্ষা ও আগুন নিয়ন্ত্রণে দেওয়া হচ্ছে। দাবানলটি কীভাবে শুরু হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে রেথিমনো অগ্নিসংযোগ অপরাধ তদন্ত বিভাগ কাজ শুরু করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন