প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) আসন্ন নিরাপত্তা অডিটকে সামনে রেখে সরকার দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে ভিআইপি ও সিআইপিসহ সবার জন্য একই নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুসরণ করতে বলা হয়েছে এবং বিমানবন্দর এলাকায় ড্রোন উড্ডয়ন রোধ করতে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দফতরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএসসি) প্রথম সভায় এসব নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতও সহসভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আফরোজা খানম বলেন, জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির আগের সভার সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। খুব শিগগিরই আইসিএওর নিরাপত্তা অডিট অনুষ্ঠিত হবে। এই অডিটের ফলাফলের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই যেসব বিষয়ে আইসিএওর পর্যবেক্ষণ আসতে পারে, সেগুলোতে পূর্ণ প্রস্তুতি ও মানদণ্ড অনুসরণ নিশ্চিত করা জরুরি।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আরও বলেন, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ভিআইপি, সিআইপি বা সাধারণ যাত্রী, সবার জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য। এছাড়া প্রবাসী যাত্রীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত সভায় বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন রোধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপন করার উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় তিন বছর পর এই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হলো এবং এখন সভার সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও স্ক্যানারের পর্যাপ্ত মজুত রাখার উপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সভায় দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তথ্য বিনিময় ও সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন, আইসিএওর নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি সংযোজন এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয় এবং আন্ডার ভেহিকল স্ক্যানিং সিস্টেমের (ইউভিএসএস) কার্যকারিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সব বেসামরিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন