প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাপানের বিরুদ্ধে ২-১ ব্যবধানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে ব্রাজিল যখন শেষ ষোলো নিশ্চিত করল, তখন কাসেমিরো ম্যাচ সেরার পুরস্কার হাতে উল্লাসে মাতলেন। কিন্তু হিউস্টনের এই ম্যাচের প্রথম অর্ধের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল।
ম্যাচের শুরুতে ১৫ মিনিটে ট্যাকল করতে গিয়ে হলুদ কার্ড পেয়ে যান কাসেমিরো। এছাড়া মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর জন্য তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের তীব্র সমালোচনার শিকার হচ্ছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ঘটে সেই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন! নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সমালোচকদের মুখে ছাই দিয়ে ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা ফিফার 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ' পুরস্কার জিতে নেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কার্লো আনচেলত্তির পদ্ধতির নির্দেশনা অনুযায়ী খোলস ছেড়ে বের হন এই ব্রাজিলের ৫ নম্বর জার্সিধারী লড়াকু ফুটবলার। ৫৬ মিনিটে গাব্রিয়েল মাগালাইয়েসের চমৎকার ক্রস থেকে উড়ে আসা বলে লাফিয়ে উঠে এক চোখধাঁধানো হেডে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান কাসেমিরো।
কাসেমিরোর গোলেই মূলত ম্যাচে ফেরে সেলেসাওরা, যার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে ইনজুরি টাইমে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি জয়সূচক গোলটি করেন। ম্যাচের পরিসংখ্যান বোঝায় কাসেমিরোর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। পুরো ম্যাচে তার পাসিং ছিল ৮৯ শতাংশ নিখুঁত। এর পাশাপাশি রক্ষণভাগকে সাহায্য করতে তিনি করেছেন ৪টি ক্লিয়ারেন্স, ১টি সফল ট্যাকল এবং ১টি ইন্টারসেপশন।
ফুটবল বিশ্ববাসীর সামনে পুরোনো শত্রু নরওয়ে অথবা চেনা আইভরি কোস্ট: শেষ ষোলোতে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল? গত মৌসুমে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলা কাসেমিরোর পরবর্তী গন্তব্য হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামি। ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে নামা এই অভিজ্ঞ সেনানী প্রমাণ করেছেন, চাপের মুখে কীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে দলের জয়ের নায়ক হতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন