প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নরসিংদীর মনোহরদীর খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের দুটি কক্ষের ১০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উত্থিত হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চার শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষার সময় এ ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, লিখিত পরীক্ষার পর ৩০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছে। সেখানে মনোহরদী সরকারি কলেজের ৬১২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে দুটি কক্ষের অন্তত শতাধিক পরীক্ষার্থীকে নতুন সিলেবাসের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ২০২৫ সালের বাংলা প্রথমপত্রের ‘খ’ সেট ১২১ কোডের নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) প্রশ্ন দেওয়া হয়।
পরীক্ষা শেষের পর শিক্ষার্থীরা বাড়িতে ফিরে উত্তর মিলিয়ে দেখার পর ভুল প্রশ্নের বিষয়টি তাদের অগোচরেই চলে যায়। ওই বিষয়ে জানা গেলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি এবং ভালো ফলাফল নিয়ে তাদের চিন্তার কারণে সমস্যাটি বাড়তে থাকে।
মনোহরদী সরকারি কলেজের পরীক্ষার্থী সাকিবা বলেন, পরীক্ষার হলে ভুল প্রশ্নপত্রের বিষয়ে আমি বুঝতে পারিনি।
বাড়িতে এসে উত্তর মিলিয়ে আমি দেখি পুরোনো প্রশ্নে আমাদের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে, এ কারণে এখন আমরা ভালো ফলাফল নিয়ে চিন্তিত।
কেন্দ্র সচিব ও খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. নাজিম উদ্দীন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মনোহরদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল মান্নান বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ পাওয়ার পর আমি বিষয়টি জানতে পারি। পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের অবহেলার কারণে এমনটি হয়েছে।
বিষয়টির সমাধানের জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এ মুহাইমিন আল জিহান বলেন, প্রশ্নপত্র কেন্দ্রের কাছে আসার আগে যে ধাপগুলো রয়েছে, সেই হিসেবে এক পরীক্ষার প্রশ্ন আরেক পরীক্ষায় আসা অনেকটা অসম্ভব বলা যায়। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বে থাকা কলেজের শিক্ষকরা ভুল করেছেন বলে মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা চারজন শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন