প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরের নেছারাবাদে পৃথক অভিযানে চিহ্নিত দুই নারী মাদক কারবারিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ও একই রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৭৫ গ্রাম গাঁজা ও ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তার তিনজনকে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের ধলহার গ্রাম থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ সাতটি মাদক মামলার আসামি রাবেয়া আক্তার সাথীকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিনে স্বরূপকাঠি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনটি মাদক মামলার আসামি শিল্পী বেগমকে (৩৮) আটক করে পুলিশ। একই রাতে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের জিলবাড়ী গ্রামের হুলা এলাকা থেকে ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ মো. কাওসার হোসেনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাথী ও শিল্পী দু’জনই উপজেলার চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার রাবেয়া আক্তার সাথী উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের কামারকাঠি গ্রামের মো. জলিল মিয়ার মেয়ে। শিল্পী বেগম স্বরূপকাঠি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আফজাল হোসেনের মেয়ে। কাওসার হোসেন উপজেলার দৈহারী ইউনিয়নের চিনাবুনিয়া গ্রামের মো. আবুল কালামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাবেয়া আক্তার সাথী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী একাধিকবার মানববন্ধন ও থানায় অভিযোগ করলেও অতীতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একপর্যায়ে স্থানীয় জনতা তাকে মাদকসহ আটক করে গণধোলাই দিয়ে এলাকা থেকে বিতাড়িত করেছিল। পরে কিছুদিন আত্মগোপনে থেকে পুনরায় মাদক ব্যবসা শুরু করেন তিনি।
এদিকে শিল্পী বেগম স্বরূপকাঠি পৌরসভার উত্তর স্বরূপকাঠি এলাকায় নিজ বাড়িতে বসেই দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছিলেন।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারি যে ই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন