প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি সত্যিকার অনন্য উদ্যোগ।
বিশ্বের সকল শান্তিরক্ষীদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সংঘাত, সহিংসতা এবং মানবিক সংকটে আক্রান্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন।
এই দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার তিনি একটি বাণীতে এসব কথা বলেন।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব সাহসী শান্তিরক্ষী আত্মত্যাগ করেছেন, তাদেরকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, তাদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরো জানান, বাংলাদেশ দীর্ঘসময় ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন, যা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরাও আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সক্ষমতার মাধ্যমে নারী শান্তিরক্ষীরাও বিশ্বব্যাপী প্রশংসা অর্জন করেছেন। এটি নারীর ক্ষমতায়ন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।
পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও সহনশীলতার ভিত্তিতে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন। শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে একটি উন্নত ও নিরাপদ পৃথিবী গঠনে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন