প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তীব্র দুর্গন্ধ ও প্রতিকূল পরিবেশকে উপেক্ষা করে আবারও মানবিক ও পেশাদারিত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ পিপিএম। কোনো ধরনের অনীহা বা রাখঢাক না রেখে নিজে সরাসরি উপস্থিত থেকে হাওরের পানিতে ভেসে থাকা একটি অজ্ঞাত শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছেন তিনি।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর সংলগ্ন দেখার হাওর এলাকা থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে গোবিন্দপুর এলাকার দেখার হাওরের পানিতে আনুমানিক ৯ থেকে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর মৃতদেহ ভাসতে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। মরহদেহটি থেকে ততক্ষণে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করায় সাধারণ মানুষের পক্ষে সেখানে যাওয়া বা এগিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে স্থানীয় লোকজন দ্রুত বিষয়টি সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখকে জানান। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিন্দুমাত্র বিলম্ব না করে নিজের সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যান এই পুলিশ কর্মকর্তা। পরে প্রতিকূল পরিবেশ ও পচাগলা দুর্গন্ধের মাঝেই নিজ তদারকিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ পিপিএম বলেন, "দেখার হাওরে একটি শিশুর মরদেহ ভেসে উঠেছে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে আমি নিজে টিম নিয়ে সেখানে ছুটে যাই। সেখান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তার এমন সাহসী ও মানবিক ভূমিকা স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অজ্ঞাত এই শিশুর পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন