প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অবশেষে, শাহরিয়ার নাফিস দীর্ঘ ২০ বছরের অপেক্ষার পর সঙ্গী পেয়েছেন। এটি কেবল তার জন্য নয়, বাংলাদেশের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এতকাল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করার একমাত্র ব্যাটার ছিলেন সাবেক ওপেনার নাফিস।
আজ, দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে, সেঞ্চুরি অর্জন করেছেন এক এবং একমাত্র বাঁহাতি ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ক্যারিয়ার শুরুর দ্বিতীয় টেস্টেই তিনি অভিষেক সেঞ্চুরি করেছেন। তানজিদ তার ১৮৮ বলের ইনিংসে তিন অংক স্পর্শ করেন। ইনিংসটির মধ্যে তিনি ৮টি চার এবং ১টি ছক্কা মারেন।
তানজিদ একটি ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরি পেয়েছেন। নাফিসের পর তিনি শুধু দ্বিতীয় ব্যাটারই নন, বরং অস্ট্রেলিয়াতে প্রথম সেঞ্চুরিয়ানও। তিন অংক স্পর্শ করার পর তার উদযাপন ছিল সত্যিই দেখার মতো। লায়নের বলে লং অফে বল পাঠিয়ে পিচের মধ্যভাগে এসে সেঞ্চুরি উদযাপন করেন তানজিদ। এরপর সিঙ্গেল পূর্ণ করার পর এক হাতে হেলমেট ও ব্যাট উঁচিয়ে তিনি উদযাপন করেন। তাঁর মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। এটি ছিল তাঁর অভিষেক সেঞ্চুরি, তাও আবার অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে, তাদের মাঠে।
২০০৬ সালের ১৩৮ রানের ইনিংসে নাফিস ফতুল্লায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন। ওপেনিংয়ে নেমে ১৮ চারে খেলেছিলেন। এখন তানজিদের সামনে নাফিসের ইনিংসকে পেছনে ফেলার সুযোগ রয়েছে। তানজিদের কাঁধে বর্তমানে বাংলাদেশ দলের জন্য বড় লিড এনে দেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে।
প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশ ৩২ রানের লিড পেয়েছে। তানজিদের সঙ্গে বর্তমানে ব্যাটিংয়ে আছেন ফিফটি হাঁকানো নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনে মিলে তৃতীয় উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়েছেন। অধিনায়ক শান্ত ৫০ রান করে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২৩০ রান।
এর আগে, মমিনুল হকের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তানজিদ ১০২ রান যোগ করেছেন। মমিনুল ৪৯ রানে আউট হন। অন্যদিকে, প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ১৯৮ রানে অলআউট হয়েছে। প্রতিপক্ষে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং করেছেন হাসান মাহমুদ। অন্যান্য ৪ উইকেট ভাগ করে নেন তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন