প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক অভিযান চালিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।
এগুলোতে ৪৯ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে শুক্রবার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে।
সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে পৃথক অভিযানে ১২ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে চালানো অভিযানে আরো ৩৭ জন নিহত হয়েছে।
সামরিক বাহিনী নিহতদের ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ ও ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সদস্য হিসেবে উল্লেখ করেছে। পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর জন্য যথাক্রমে এই নাম ব্যবহার করে।
পাকিস্তান সরকার অভিযোগ করে আসছে, টিটিপি ও বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আফগানিস্তানে থাকা নিরাপদ আশ্রয়স্থল থেকে হামলা চালায় এবং বেলুচ গোষ্ঠীগুলো ভারত থেকেও সমর্থন পায়।
তবে আফগানিস্তান ও ভারত উভয়ই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি একটি আলাদা সংগঠন হলেও আফগানিস্তানের তালেবানের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। পাকিস্তানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সহিংসতা বেড়েছে। এসব হামলার বেশিরভাগের জন্য টিটিপি ও বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করা হয়।
পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় কিন্তু সবচেয়ে কম জনবহুল প্রদেশ বেলুচিস্তান দীর্ঘদিন ধরে বেলুচ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলোর বিদ্রোহের কেন্দ্র। এসব গোষ্ঠী পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে আরও বেশি স্বায়ত্তশাসন বা স্বাধীনতা দাবি করে আসছে।
আফগানিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত থাকা বেলুচিস্তানে টিটিপি ও ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীও হামলা চালিয়েছে বিভিন্ন সময়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন