প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি বছরের এসএসসি ও তার সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবারের পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফলাফল সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে প্রকাশ করা হয়। গত বছরের তুলনায় এবারে ৬ দশমিক ২ শতাংশ পাসের হার হ্রাস পেয়েছে।
এইবার মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ২২ হাজার ৩৫৬ কম।
কোন বোর্ডে কত পাসের হার সেটি নিম্নরূপ:
ঢাকা বোর্ডের পাসের হার ৭১.৬৩, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ হাজার ২৫৩ জন। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৬৩.৬৭ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৬ হাজার ১১৩ জন। কুমিল্লার পাসের হার ৬৫.৪২ এবং এখানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৮১৪ জন। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৬.২৭ এবং ১১ হাজার ৪৭৮ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। চট্টগ্রাম বোর্ডের পাসের হার ৫৯.৪৮, যতজন জিপিএ-৫ পেয়েছেন তারা ৯ হাজর ৩৯৮ জন। বরিশাল বোর্ডে ৬০.৩৫ পাসের হার রয়েছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন। সিলেটের পাসের হার ৫৮.৩৩, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৬ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৫৮.০৫, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৩ হাজার ৬৩৯ জন। ময়মনসিংহের পাসের হার ৫৭.৩৯ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০০ জন। মাদ্রাসা বোর্ডের পাসের হার ৫৫.৪৯ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ হাজার ৭১৬ জন। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৫৮.২০, যা সঙ্গে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।
এদিকে, প্রকাশিত ফলাফলে যদি কোন পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হন, তাহলে তিনি ফল পুনর্নিরীক্ষণ (খাতা পুনর্মূল্যায়ন) এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন কার্যক্রম ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলমান থাকবে। কেবল অনলাইনে শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত নির্দেশনার ভিত্তিতে পুনর্নিরীক্ষণের এই আবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। এতে সব মিলিয়ে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী। লিখিত পরীক্ষা ২০ মে শেষ হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন