প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তার ইভ্যালি আবাসিক হোটেলে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের শিকার গৃহবধূ শান্তা বেগমের (৩৩) স্বামী সাইফুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর পিবিআই। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আদালতে হাজির করা হলে সাইফুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
সাইফুল ইসলাম নাটোর সদরের চরলক্ষ্মীকোল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুরের আহমেদনগর এলাকায় ভাড়া নিয়ে স্ত্রী শান্তাকে সঙ্গে নিয়ে গার্মেন্টে কাজ করতেন। নিহত শান্তা বেগম শহিদুল ইসলামের মেয়ে, যার বাড়ি চরলক্ষ্মীকোল গ্রামে।
পিবিআই সূত্র জানিয়েছে, গত ২১ জুলাই দুপুরে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে শান্তা বেগম ও সাইফুল ইসলাম ইভ্যালি আবাসিক হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ ভাড়া নিয়ে ওঠেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া খবর পেয়ে বাসন থানা পুলিশ ঐ কক্ষ থেকে শান্তার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে। লাশের গলা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। নিহতের বাবা শহিদুল ইসলাম এই ঘটনার প্রেক্ষিতে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে বাসন থানায় হত্যা মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় গাজীপুর পিবিআই।
টেকনোলজি ব্যবহার করে বুধবার রাতে ঢাকার দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড় এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে শান্তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া সাইফুল ইসলাম জিজ্ঞাসাবাদে জানান, বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন শান্তার আরো দুটি বিয়ে হয়েছিল এবং ঐ সংসারে তার দুটি ছেলে-মেয়ে রয়েছে। এসব কারণে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ ও নানা সন্দেহ চলছিল। ঘটনার দিন হোটেল কক্ষে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে সাইফুল শান্তার ব্যাগে থাকা ফল কাটার ছুরি দিয়ে তার গলায় ও বুকে আঘাত করে ও মৃত্যু নিশ্চিত করে নিহতের মোবাইল ফোন ও পরিচয়পত্র নিয়ে পালিয়ে যান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন