প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে শনিবার ধানগড়া পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে তাঁত মালিক ও শ্রমিকরা। এ সময় তারা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানান।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে রায়গঞ্জ পৌরসভার পূর্ব লক্ষ্মীকোলা এলাকা থেকে তাঁত মালিক ও শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এই মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ধানগড়া পল্লী বিদ্যুতের কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে তারা সমাবেশ করেন।
বিক্ষোভকারীরা "লোডশেডিং বন্ধ করতে হবে, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে হবে" এরকম স্লোগান দেন। এরপর, তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়ে তাদের সমাবেশ শেষ করেন।
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে তাঁতকলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকার কারণে তাঁতকল বন্ধ রাখার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ফলে মালিকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন এবং শ্রমিকদের কাজের সুযোগও কমে যাচ্ছে।
সমাবেশে পূর্ব লক্ষ্মীকোলা এলাকার তাঁত মালিক মো. মোত্তাকি বলেন, "ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় আমাদের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সময়মতো অর্ডারের কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে মালিক-শ্রমিক সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আমরা দ্রুত লোডশেডিং কমানোর এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানাচ্ছি।"
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাকিম বলেন, "বিদ্যুতের সমস্যায় শুধু তাঁতকল নয়, সাধারণ মানুষও ভোগান্তিতে পড়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজও ব্যাহত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।"
এ ব্যাপারে রায়গঞ্জ উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের ভূঁইয়াগাঁতী জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. নিজামুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "বিক্ষোভের সময় আমি কার্যালয়ে ছিলাম না। তবে মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে আমি টেলিফোনে কথা বলেছি।"
তিনি আরও জানান, "তাঁতকলের সংযোগ লাইনটি অনেক পুরনো হওয়ায় অধিকাংশ সময় নানা ত্রুটি দেখা দেয়। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন