প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রেমিকা স্বপ্না আক্তারের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে এসেছেন এক চীনা যুবক।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একেবারে নতুন পরিচয়ের মাধ্যমে শুরু হয় প্রেমের সম্পর্ক। তাদের প্রণয়ের আলাপে মধুর স্মৃতি গড়ে ওঠে।
সেই ভালো লাগার টানে, হাজার মাইল দূর থেকে, বাংলাদেশি প্রেমিকার বাড়িতে আসা চীনা যুবক ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
প্রেমিকা স্বপ্না আক্তারের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীননগরে এবং জিয়াঐলির বাড়ি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের লুজোউ শহরের লুজিয়ান এলাকায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়।
প্রথম তিন মাসের মধ্যে তৈরি হয় তাদের প্রণয়। বর্তমানে যদিও ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য রয়েছে, কিন্তু মনের আবেগ, মায়ার কাছে তা কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
প্রেমিকা স্বপ্নার টানে বাংলাদেশে প্লেব্যাক করেছেন চীনা যুবক জিয়াঐলি।
বর্তমানে স্বপ্না আক্তার নবীনগরের নীলনগর এলাকায় তার মামার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
এদিকে বিদেশি যুবকের বাংলাদেশে আসার খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সেখানকার মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। জিয়াঐলিকে একনজর দেখার জন্য স্বপ্নার মামার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন শত শত উৎসুক জনতা। ইতোমধ্যে এই প্রেমিক যুগলের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশি যুবককে গ্রামের মধ্যে দেখে প্রথমে সবাই অবাক হন।
কিন্তু ধীরে ধীরে স্থানীয়দের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। অনেকে জানতে চাচ্ছেন, চীনা যুবকটি কোনো প্রতারক চক্রের সদস্য কি না। স্থানীয়রা এবার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর কামনা করছেন।
এই বিষয়ে স্বপ্না আক্তার জানিয়েছেন, জিয়াঐলি স্বপ্নাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশে এসেছেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে যাবেন। স্বপ্না আরো জানান, জিয়াঐলি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলিম হয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করবেন।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ওসি ও ইউএনও বলেন, সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে আমরা জানতে পেরেছি। আমরা এর ব্যাপারে খোঁজখবর নেব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন