প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি শিল্পের বিকাশ ঘটাতে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে লিথিয়াম-আয়ন ও সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল এবং উপকরণ আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি সুবিধার প্রস্তাব করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা জানান।
অর্থমন্ত্রী বললেন, দেশের প্রচেষ্টাকে আরও স্থিতিশীলতা এবং উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে পরিবেশবান্ধব লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ও সোডিয়াম আয়ন ব্যাটারি উৎপাদন উৎসাহিত করার জন্য আগামী ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত এসব পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতির সুবিধা দিয়ে একটি নতুন প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তাব করা হচ্ছে।
দেশে এই খাতসংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশে মাউন্টিং স্ট্রাকচার, লিথিয়াম সেল, ব্যাটারি প্যাক ও ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) সংশ্লিষ্ট পণ্যের ওপর বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা ৩০ জুন ২০২৮ সালের পর প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করেছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় মোট ৩ লাখ কোটি টাকাসহ মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা এবং পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব রয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার নির্বাহের কথা বলা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন