প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য করণীয় নির্ধারণ করতে গঠিত জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি তাদের রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করেছে। এই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, জ্বালানি তেলের মজুত সক্ষমতা বাড়িয়ে কমপক্ষে তিন মাসের জন্য করা, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ, এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ডিজিটাল মনিটরিং চালুসহ মোট ১২টি সুপারিশ। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন, এবং অভ্যন্তরীণভাবে প্যানিক বায়িং ও অবৈধ মজুদের কারণে দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলার জন্য এবং ভবিষ্যতের সংকট প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে ১০ সদস্যবিশিষ্ট বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদকে এই কমিটির সভাপতি করা হয়। গত ৩ মে এবং ১৯ মে তারিখে কমিটি দুটি বৈঠক করে এই সুপারিশমালা চূড়ান্ত করেছে। বিশেষ কমিটির গৃহীত ১২টি মূল সুপারিশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং এর ফলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য সরকারের উচিত রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের কমিটির মাধ্যমে একটি সমীক্ষা পরিচালনা করা। সরকারের চাহিদার অতিরঞ্জিত পূর্বাভাস তৈরি করা উচিত নয়। কয়লা সম্পদ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিকল্প হওয়ায় এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। বড়পুকুরিয়া থেকে কয়লা অন্যান্য কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করা অথবা স্বতঃস্ফূর্ত দাহ এড়াতে বিকল্প খাতে বিক্রির জন্য সাশ্রয়ী ও নিরাপদ সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন