প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরান যুদ্ধের প্রাক্কালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল র্যান্ডি জর্জ। তিনি গত ডিসেম্বর মাসে পেন্টাগনের বার্ষিক বিশ্বব্যাপী বাহিনী মূল্যায়ন প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে সতর্ক করেন যে, মার্কিন সেনাবাহিনীতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অস্ত্রের বড় ধরনের ঘাটতি বিদ্যমান এবং এই সংকট কাটতে অন্তত পাঁচ বছর, অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের পূর্বে এবং ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলকে প্রতিরক্ষা সহায়তা দেওয়ার সময় মার্কিন থাড (THAAD) ও প্যাট্রিয়ট (Patriot) ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। পেন্টাগনের প্রতিরক্ষা নীতির ত্রুটি এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের উৎপাদন ধীরগতির কারণে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, চলতি বছরের এপ্রিলে ইরান যুদ্ধ চলাকালীন পেন্টাগনের নির্দেশে জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো চীন ও অন্যান্য পরাশক্তির সঙ্গে ভবিষ্যতের যেকোনো বড় সংঘাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বর্তমান উৎপাদন হার বজায় থাকলেও পুরোনো মজুত পুনরুদ্ধারে আগামী দশক পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে পেন্টাগন জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। সূত্র: সিবিএস নিউজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন