প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গতকাল শুক্রবার দুপুরে সুন্দরবনের ভেতরে বন বিভাগের একটি কার্যালয়ের সামনে দেখা গিয়ে একটি বাঘ।
সুন্দরবনের ভেতরে বন বিভাগের একটি কার্যালয়ের সামনে এই বাঘটি দেখা যায়। গতকাল শুক্রবার দুপুরের সময় বাগেরহাটের মোংলার সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে বাঘটিকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। সেই সময় বনকর্মীরা মুঠোফোনের ক্যামেরায় বাঘটির বিচরণের বিভিন্ন দৃশ্য ধারণ করেন।
শ্যালা নদীর দক্ষিণ-পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত এই বনকেন্দ্র। নদী পাড়ের দক্ষিণ দিক থেকে এসে বাঘটি কিছুক্ষণ থামে এবং এরপর চারপাশ দেখে আবার উত্তর দিকের জঙ্গলে ঢুকে পড়ে।
বন কর্মকর্তাদের ধারণা, এটি একটি পূর্ণবয়স্ক বাঘিনি। এর আগে আন্ধারমানিকে গত ১৩ জুলাই চিকিৎসা শেষে একটি উদ্ধার করা বাঘিনিকে অবমুক্ত করেছিল বন বিভাগ। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি বৈদ্যমারী ফরেস্ট ক্যাম্পের আওতাধীন শরকির খালের এলাকায় ফাঁদে আটকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল বাঘিনীটিকে। চিকিৎসার পর তাকে প্রায় ছয় মাস পরে ফেরানো হয় তার স্বাভাবিক আবাসে। তবে শুক্রবার দেখা পাওয়া বাঘটি একই বাঘিনী কিনা, সেটি এখনো কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত নয়।
অবমুক্ত করা বাঘিনির চলাফেরা পর্যবেক্ষণের জন্য প্রায় আট কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ২০টি ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এসব ক্যামেরায় সম্প্রতি নতুন করে আরও তিনটি বাঘের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। শুধু বাঘই নয়, ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে ধরা পড়েছে চিত্রা হরিণ, মায়া হরিণ, মেছো বাঘ, বন মোরগ, বন্য শুকরসহ নানা বন্যপ্রাণীও।
চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস বলেন, ডোরার নকশা বিশ্লেষণে মনে হচ্ছে, শুক্রবার দেখা পাওয়া বাঘিনিটি বন বিভাগের অবমুক্ত করা বাঘিনি নয়। বরং এটি অন্য একটি বন্য বাঘিনির সম্ভাবনাই বেশি।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, সম্প্রতি বাঘের বিচরণ আগের তুলনায় বেশি দেখা যাচ্ছে এবং একই সঙ্গে হরিণের সংখ্যা বেড়েছে। নিয়মিত টহলে আরও বেশি বাঘের পায়ের ছাপ মিলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন