প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরের মতো ঐক্য ধরে রাখতে হবে।
তিনি বলেন, মত পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু ঐক্য যেন নষ্ট না হয়। যেভাবে বিগত সময়ে সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলেন, আগামীতেও সেইভাবে ঐক্য ধরে রাখতে হবে। বিগত নির্বাচনে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দলকে জিতিয়ে এনেছেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঠিক সেভাবে ঐক্যবদ্ধ থেকে দলকে জিতিয়ে নিয়ে আসতে হবে। সেটা নিশ্চিত করা গেলে ফ্যাসিস্ট এবং গুপ্তকেরা ঢুকতে বা সুবিধা করতে পারবে না। যেহেতু ঐক্য থাকলে তাদের সুবিধা নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত একটি সাংগঠনিক সভায় তিনি এ কথা বলেন। বিগত ১৭ বছরের কথা উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা দলকে গত ১৭ বছরে টিকিয়ে রেখেছেন। তখন গুম খুন নির্যাতনের শিকার হয়েও ঐক্যবদ্ধভাবে দল সমালিয়েছেন, তাই এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারবেন না। যদিও তখন সবাই দিতে হয়েছিল।
তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে হাইব্রিড এবং গুপ্তদের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগে জরুরি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশের বাইরে এবং দেশে বিভিন্ন গোষ্ঠী এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। দলের শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। হাইব্রিড এবং গুপ্তদের সদস্যদের দলে ঢুকতে না দিতে হবে।
নেতাকর্মীদের ত্যাগ ও বিএনপির দায়িত্ব নিয়ে তিনি বলেন, দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকুক আপনারা, তাহলে তৃণমূলে ঐক্য ভালো রাখতে হবে যা শক্তিশালী লক্ষ্যমাত্রা।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথা উল্লেখ করে দলের প্রধান বলেন, অনেক প্রস্তুতি দরকার। প্রস্তুতি না থাকলে জয় সম্ভব নয়। সরকারের থাকা সম্ভব নয়। নির্বাচনের আগে দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।
তিনি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ে নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
বক্তব্য শুরুতে বিগত ১৭ বছরে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন এবং বলেন, উন্নয়ন বলতে কি শুধু রাস্তা ঘাট? বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা হচ্ছে, উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং শিশুদের বিষয়ে উন্নয়নের পরিকল্পনা করেন। BNP সরকার দুর্নীতি পরিচালনার সুযোগ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ব্যাংকিং খাত দুর্বল হয়েছে।
সবকিছুর শুরুতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন কৃষক কার্ড প্রদান করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংকটের সময়েও রোজার সময় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
শেষে তিনি বলেন, আপনারা এখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। তাই পরিবারের মতোই দেশ পরিচালনার দায়িত্বও সমান গুরুত্বের দাবি রাখে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন