প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষক নিয়োগে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রণীত নিয়োগ নীতিমালা অমান্য করার অভিযোগে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল, সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হকসহ পাঁচ শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আগামী বুধবার (১৯ আগস্ট) তাদের দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীতে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য প্রদান করতে বলা হয়েছে।
গত ১১ আগস্ট দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালী থেকে জারি করা পৃথক নোটিশে সংশ্লিষ্ট পাঁচজনকে নির্ধারিত সময়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়। তারা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিতে ব্যর্থ হলে, তাদের কোনও বক্তব্য নেই বলে গণ্য করা হবে বলেও উল্লেখ আছে নোটিশে।
দুদকের নোটিশ অনুযায়ী, নোবিপ্রবিতে ইউজিসি কর্তৃক প্রণীত নিয়োগ নীতিমালা অমান্য করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগটি বর্তমানে অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়া জরুরি। তাই তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ নির্ধারিত সময় ও তারিখে দুদকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার কাছে বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
দুদকের তলব করা অন্য তিনজন হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোসাইন চৌধুরী, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জামশেদুল ইসলাম এবং সহকারী অধ্যাপক শ্রাবন্তী দত্ত।
নোটিশ অনুসারে, আগামী ১৯ আগস্ট সকাল ১০টায় মো. জামশেদুল ইসলাম, সকাল সাড়ে ১০টায় শ্রাবন্তী দত্ত, সকাল ১১টায় অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল এবং সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে মোহাম্মদ তামজিদ হোসাইন চৌধুরীকে দুদকের কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
তবে নোটিশে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি। দুদকের চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, নোবিপ্রবিতে শিক্ষক নিয়োগের অনিয়মের অভিযোগে আগে থেকেই দুদকের অনুসন্ধান ও অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের পর তদনুসারে তথ্য সংগ্রহ করেছিল দুদক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন